চাকরি পেতে সহকারি ৫ কোর্স

চাকরি পেতে  সহকারি ৫ কোর্স : বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে তরুণদের প্রধান লক্ষ্য থাকে চাকরি পাওয়া। আর চাকরিতে আবেদনের সময় তাঁরা জানেনও, কোন কোন -দক্ষতা থাকলে তা তাঁদের চাকরি পেতে সহায়ক হবে। 

সিভিতে যখন তরুণেরা কিছু দক্ষতা যুক্ত করেন, তখন সেই সিভি অন্যদের থেকে আলাদা হয় এবং তাঁকে পরবর্তী ধাপের জন্য ডাকা হয়। 

চাকরির বাজারে প্রবেশের আগে এমনই পাঁচটি দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করছি, যা করা থাকলে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবেন আপনি।

চাকরি পেতে সহকারি ৫ কোর্স

চাকরি পেতে  সহকারি ৫ কোর্স
চাকরি পেতে  সহকারি ৫ কোর্স

১. মাইক্রোসফট এক্সেল

কর্মক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার মাইক্রোসফট এক্সেল। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়জীবনেই একজন তরুণ মাইক্রোসফট এক্সেলের অ-আ-ক-খ শিখে ফেলে। তবে কর্মজীবনে হিসাব-নিকাশ ছাড়াও নানা ধরনের বিশ্লেষণধর্মী কাজ ও সৃজনশীলভাবে তথ্য উপস্থাপনের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেলের ওপর দখল থাকা বেশ জরুরি। 

তাই এডএক্স প্ল্যাটফর্মে মাইক্রোসফটের অ্যানালাইজিং অ্যান্ড ভিজ্যুয়ালাইজিং ডেটা উইথ এক্সেল কোর্সটি করা থাকলে চাকরিপ্রার্থী কিংবা সদ্য চাকরিতে যোগ দিয়েছেন এমন তরুণদের জন্য তা হবে বেশ উপকারী।

২. পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং ও নেটওয়ার্কিং

একজন চাকরিপ্রার্থী তরুণ হিসেবে আপনার কাজ শেখার পাশাপাশি সেই কাজগুলো সম্পর্কে আপনি যে সম্যক ধারণা রাখেন এবং সফলভাবে কাজগুলো সম্পাদন করার সক্ষমতা আপনি অর্জন করেছেন, সেগুলো আপনি যাঁদেরকে জানাতে চান, তাঁদেরকে জানানোর মতো যোগাযোগ করার দক্ষতা থাকাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। 

তাই পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং বা নিজেকে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে পরিচয় করানোর কৌশলটা জেনে রাখাও প্রয়োজনীয়। 

পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং বা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা এবং যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। 

একটি উডেমির দি আলটিমেট পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং কোর্সটি এ ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।


৩. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ফাউন্ডেশনস

প্রজেক্ট বা প্রকল্প শব্দটি শুনলে যদিও এনজিও বা উন্নয়ন খাত-সংশ্লিষ্ট কাজের কথা মনে হতে পারে, কর্মজীবনের প্রতিটি কারাই একেকটি প্রকল্পের মতো। 


তাই একজন চাকরিপ্রার্থী কিংবা তরুণ চাকরিজীবীর জন্য প্রকল্প পরিচালনার মৌলিক বিষয়গুলো যেমন প্রকল্প পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রচলিত ও দ্রুত ব্যবস্থাপনার (agile project management) পার্থক্য, একটি উদ্যোগের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিরূপণ, পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কী কী বিষয় মাথায় রাখা উচিত ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার। 

লিঙ্কডইনের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ফাউন্ডেশনস কোর্সটি থেকে প্রকল্প ব্যবস্থাপনার খুঁটিনাটি জেনে রাখা যেতে পারে।

৪. ডিজাইন থিঙ্কিং

প্রথম প্রথম ডিজাইন বিল্ডিং শুনলে আঁকিঝুঁকির কথা মাথায় এলেও ডিজাইন বিল্ডিং মূলত একটি সমস্যা সমাধানের সৃজনশীল পন্থা। 

একটি সমস্যাকে সমস্যাটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দৃষ্টিতে দেখতে শেখা এবং তাদের মতামত আমলে নিয়ে একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করে। 

সমস্যা সমাধানে কাজ করাই ডিজাইন থিঙ্কিং, কিংবা হিউম্যান সেন্টার্ড ডিজাইন। অন্যের জুতায় পা গলিয়ে দেখার মানসিকতা এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করার প্রায়োগিক জ্ঞান একজন তরুণকে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সহায়কের ভূমিকা পালন করে। 

ডেভেলপমেন্ট, ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইউ টুলকিট থেকে ডিজাইন মিষ্টিং বিষয়ে ধারণা নিয়ে রাখা যেতে পারে।

৫. টাইম ম্যানেজমেন্ট

সময়ের সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি কোন কাজটা কখন করতে হবে, সেটি সম্পর্কে ধারণা রাখা একজন তরুণের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। 

যদিও কোন কাজ কখন এবং কত দ্রুত করা উচিত, তা নির্ধারণে আর্জেন্ট ইম্পর্ট্যান্ট ম্যাট্রিকস বহুল প্রচলিত, নিত্য পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে প্রচলিত ধারণাগুলো আগের মতো কার্যকর থাকছে না। 


তাই সময় ব্যবস্থাপনা বা টাইম ম্যানেজমেন্টের ওপর কোর্স করা থাকলে সেটি কর্মক্ষেত্রে এবং চাকরি পেতে একজন তরুণকে দিতে পারে বাড়তি সুবিধা। এই বিষয়ে কোর্সের্রাতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ইরভিনের কোর্সটি করে রাখা যেতে পারে।

Post a Comment

0 Comments